The Weekly Turni- Issue 40

17/05/2021
৩রা জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

𝕿𝖍𝖊 𝖂𝖊𝖊𝖐𝖑𝖞 𝕿𝖚𝖗𝖓𝖎


𝕰𝖉𝖎𝖙𝖔𝖗𝖎𝖆𝖑


CZ recently mentioned that Cypto Projects all used to start with ‘B’… bit…block…, and then the defi wave came and everything started sounding like food 😊 Pancake, Sushi, … Then many other things happened and defi projects started sounding like a zoo or jungle; Ape, Goose, Panther… I don’t know how I feel about it, but it sure as hell funny! Many of us in the community have firsthand knowledge on many of these projects. I have no recollection on how exactly our involvement started with these things, but I can see a vast majority of our present conversation revolve around these terms over the last couple of months. To me it is fascinating! I have seen many financial things comes and go in my life. It is not the product that matters or will stay. What matters in the willingness to evolve with time….. borrowing the old motto of a Bengali newspaper:

" পড়তে হয়; নইলে পিছিয়ে পড়তে হয়! "

Simple translation: You must read, otherwise you fall behind. Nothing can be more true in the fast and dynamic world of crypto. You must stay on the cutting edge at all times; otherwise, you get obsolete rather quickly. This is perhaps also true for out personal lives. If you can’t evolve as a person, soon you will find yourself alone and friendless, likely in a small apartment or your room in your parent’s house. It’s a fact. Now you may say, nothing wrong with that, I am perfectly fine with that. Cheers! Power to you! But take this from me, its not fun in the long run. You need your friends, real and virtual, both, these days. It is not fun to live in isolation for an extended period, especially when you are young. So, get a move on, get out there, and make friends, you will learn and enrich yourself in the process.

Getting back to these defi project that many of us are so interested in, it promises financial freedom, NOW, and that will a very low cost of entry. For most people from the developing world, the power of crypto comes in from the very low cost of entry. People can and does start with almost nothing and can built a good nest egg relatively quickly. This is impossible with conventional finance. However, there is no free lunch, so the success not automatic, it does require some commitment and education. There are numerous traps and scams; and it is unforgiving. It is like the wild west and everyone is literally out there to get you! Or rather your money. But if you can navigate the jungle, the success is possible and it never possible at this pace in conventional finance.

So, it is your call what you like to do. Do you want to walk the jungle? Or do you like to stay in your dad’s apartment for the rest of your life? LOL

Editor



কর্পোরেট ভোগী জীবনের সবকিছুই পাওয়ার পলিটিক্সের উপর নির্ভর করে। শারীরিকভাবে দুর্বল মানুষের মন খারাপ থাকে এই ভেবে যে, তারচেয়ে শক্তিশালী কেউ তাকে সহজেই আক্রমণ করে ধরাশায়ী করতে পারে। এজন্য সে বিভিন্ন শক্তিবর্ধক খাবার খায় এবং যাদের টাকা নাই তারা হারবাল ওষুধের দ্বারস্থ হয়। কারন তাকে যদি শক্তিশালী কেউ আক্রমণ করে সে যেন তাকে ধরাশায়ী করতে পারে। ভালো পুষ্টিকর খাবার বা ঔষধ খাওয়ার এটাই তার অন্যতম উদ্দেশ্য।

অপরদিকে আর্থিক ভাবে দূর্বল মানুষ এই ভেবে মন খারাপ করে যে, টাকাওয়ালা লোক আমার উপর ক্ষমতা খাটাবে। এজন্য সে চায় অঢেল টাকা। টাকাটা কিন্তু খাওয়া-পড়ার জন্য সে চায় না। সে চায় পাওয়ার পলিটিক্স খাটানোর জন্য। ঘরে একটা গুন্ডা ছেলে থাকলে এখনকার বাবা-মা খুব খুশি হয়। খুশি হয় এই কারণে যে, প্রতিবেশীর উপর তাদের একটা কর্তৃত্ব থাকবে।

একই কারণে অধিকাংশ মধ্যবিত্ত পরিবারের সদ্যশিক্ষিত ছেলেপেলে সবাই বিসিএস ক্যাডার হতে চায়। কারণ বাংলাদেশে বসে সবচেয়ে জবাবদিহিতা ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার এরাই করতে পারে।

এখন একটু ব্যতিক্রমে যাওয়া যাক। দূরবর্তী মজলুমদের নিয়ে কথা বলাটা আসলে সহজ। এই যেমন ধরুন ফিলিস্তিন! ওরা মার খাচ্ছে আর মার খাচ্ছে। ওদের নিয়ে সহমর্মিতা দেখানোটা খুব সোজা। ওদের ইসুটা একাধারে বিশ্বরাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক ইসু। আপনি বাংলাদেশেই তো থাকেন! ঘরে বসে ফিলিস্তিন, কাশ্মিরের প্রতি সহানুভূতি দেখানো আসলেই সোজা।

আপনাকে অনুরোধ করবো খালি একবার বাংলাদেশে দাড়ি-টুপি রেখে দেখেন। দেখবেন আপনাকে নিয়ে শিক্ষিত সমাজের মন্তব্য। খুব ব্যতিক্রম না হলে আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি আপনার প্রথম বাঁধাটা আসবে ঘর থেকে। এই যে আমি বা আপনি বাংলাদেশের মজলুমদের ইসু টপকে কায়দামতো ফিলিস্তিনে যেয়ে পশ সাজি এটাও কিন্তু ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পাওয়ার পলিটিক্সের অংশ।

আবার এই শিক্ষিত শ্রেণি ফিলিস্তিন ইসুতে ফিলিস্তিনের পক্ষ নিয়েছে বলে আমরা খালিচোখে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু ভুল করেও যদি ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েল রাষ্ট্রের উপর সীমিত সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতাও রাখতো তবে এদের মন্তব্য সম্পুর্ন ঘুরে যেতো। সবই পাওয়ার পলিটিক্স।

আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক



কুব্রিকের এ স্পেস অডিসি বহু কারণে জনপ্রিয়, বিশ্ব সিনেমার সেরাগুলোর একটা বলে প্রসিদ্ধ কিনা। তবে এই সিনটা বিশেষ প্রিয় আমার, অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। স্পেসশিপের ক্রু একটা সুইচে চাপ দেয়, অমনি কৃত্রিম অভিকর্ষ বল সৃষ্টি হয় আর সে বৃত্তাকার সিড়িতে হাটতে থাকে! এবং কয়েক পা যাওয়ার পর, সে উল্টো হয়ে সিলিং এ ঝুলে আছে, হাতে ট্রে ভর্তি খাবার।

From the film

দেখলেন? পড়ে যাচ্ছে না!

গোটা সিন এমন একটা অচেনা আবহ তৈরী করেছিলো যার সাথে, সিনেমার মুক্তির সাল, অর্থাৎ ১৯৬৮ এর মানুষ পরিচিত ছিলো না। চন্দ্রাভিজানের ঠিক আগের সালের সিনেমা, বিশেষ করে যখন জনমনে স্পেসরেইস নিয়ে বিবমিষা জাগ্রত হয়ে গেছে। সে হিসেবে ২০০১ চন্দ্রাভিজান নিয়ে মানুষকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে বটে! বাস্তব প্রভাব বেকুবদের মুন ল্যান্ডিং কনস্পাইরেসি থিওরি নয়।

বলা হতে পারে, এমন সিন তো আরো আছে। সত্যি, জিরো গ্রাভিটিওয়ালা বহুত সিন ২০০১ এরপরে নির্মিত বহুত সিনেমায় পাওয়া যাবে বটে, কিন্তু ঐসবই গিমিক হিসেবে ব্যবহৃত। চমকে দেয়ার জন্যে। ২০০১ এর এই সিনের মত ক্যাজুয়াল নয়। "কল্পিত স্বাভাবিকতা" নয়।

ঐ সময় এইরকম গ্রাভিটি কিভাবে বানিয়েছিল এ ব্যাপারে ঘাটিনি, তবে আমার ধারণা গোটা কাঠামো একটা সিলিন্ডারের মত, আর ক্যামেরা তার সাথে ফিক্সড করা। কাঠামো ঘুরেছে, আর অভিনেত্রী হেটেছে পৃথিবির ওরিয়েন্টেশন বরাবর, কিন্তু ক্যামেরা ফিক্সড বলে মনে হয়েছে অভিনেত্রী হেটে সিলিং-এ ঝুলে আছে। এই টেকনিক এখনও ব্যবহৃত হয়।



"ভাল্লাগে না" কি একটি রোগের নাম? আমি আজও সন্দিহান এবং এর উওর খুঁজতে ও যে কেমন যেন একটা ভাল্লাগে না টাইপ অনুভূতি কাজ করে। এই ঈদ গেল বন্ধু বান্ধব অনেকেই কম-বেশি ঘুরতে গেল আর আমি সেই বরাবর এর মতো এক অসুস্থতা নিয়ে বাড়িতে শুয়ে-বসে ভাল্লাগে না রোগে আক্রান্ত হয়ে আছি।

মজার ব্যাপার কি, আয়মান সাদিক এর একটি বই আছে "ভাল্লাগে না" নামে। মাঝে দিয়ে এতই মরিয়া ছিলাম এই ভাল্লাগে না কাটিয়ে উঠতে যে সেই বই পর্যন্ত অর্ডার দিয়ে আনি। কিন্তু সত্যি বলতে আজও সেই বই খানা পড়া শেষ হয়নি।ওই যে ভাল্লাগে না রোগে আক্রান্ত। আমার থেকে এই বই খানা গুটি কতক মানুষজন নিয়ে পড়েছে,তারাও নিজেদের ভাল্লাগে না রোগের রোগী বলে দাবী করে কিন্তু এই রোগ থেকে কাটিয়ে উঠতে দেখিনি আমি তাদের। হাহাহা।

আমার মা বলে,"রোগ বাধিয়ে রাখলেই রোগ বাড়ে, নিবারণ এর ইচ্ছা থাকলে সেরে যায়।" সেইম থিং হেয়ার। আমি যে একটা কিছু করব এই আলসেমি টা ছাড়তে যে মনোবল বা ইচ্ছাশক্তি টা প্রয়োজন সেটাই করে উঠতে পারছি নাহ। ইদানীং একটা জিনিস খেয়াল করলাম যে ফোন ছাড়াও ভালোভাবে সময় কাটানো যায়।বেশি কিছু প্রয়োজন নেই, একটু উঠে গিয়ে পরিবারের সাথে একটা টপিক নিয়ে কথা তুললেই হবে। বন্ধুবান্ধবদের মাঝে যেমন আমাদের কথার সীমা নেই তেমনি পরিবারের সাথে ও সেটা সম্ভব। শুধু প্রয়োজন একটু ইচ্ছে আর কিছু সময়। সারাদিন বাসায় বসে সময় কাটানো যায় আবার ইচ্ছে করলেই দুটো বন্ধুকে ফোন দিয়ে বের করে একটু আড্ডা দেওয়া সম্ভব। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা কিছুটা পাশ কাটিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ও সেই আড্ডার ঝড় তোলা সম্ভব। একটু আগেও এক ঘণ্টার একটা গ্রুপ ভিডিও কলে বন্ধুবান্ধবদের সাথে কিছুটা আনন্দের সময় কাটিয়ে ভাল্লাগে না রোগটা থেকে নিরাময় গ্রহণ করেছি।

এত কিছুর পরও কেন যেন ভাল্লাগে না সবকিছু।


𝕳𝖊𝖗 𝕸𝖆𝖏𝖊𝖘𝖙𝖞’𝖘 𝕯𝖔𝖒𝖆𝖎𝖓


That brown couch has only one inhabitant nowadays. The cat.

The dinner was served early as the old man was not feeling too well and thought of sleeping early. She too was feeling quite comfortable after that delicious meal but she found the remote and went clicking. No one knows when she learned to switch it on, but it doesn’t matter. It takes her quite a few tries to change a channel; the remote doesn’t work too well and with all the surrounding tapes makes it hard to click anything. It’s a fairly old TV; an old TV for an old man. Once there used to be people in his tiny house and it was too small to accommodate everyone. Every night after dinner, they all will crowd that couch and create some unimportant, unforgettable memories. And now, there’s no one else except him and the cat.


Image Source

Nothing extraordinary, one might assume, it’s just a regular cat; when has that ever been true for any pet owners. To everyone who has a pet, knows how precious they are. Kelsey is also loved by her Human too; apparently the cat owners are now called their “Humans”. Do I have to tell you who Kelsey is? It hasn’t been very long since she was adopted, neither did it take long enough for her to win everyone’s heart. Although she appears to be quite a diva at times and avoids the other living souls present in the house, no one can turn away from her. Unlike all those memes of “If I fits, I sits”, she seldom does it. But that brown couch is hers and hers alone; if her mood is into sharing, then she allows someone to crash on it. Then again, there isn’t anyone else in the house other than the old man, her owner. This is where he lived all his life; he started his life here and it will end inside these walls.

He loved the cat dearly, although that wasn’t the case before. He absolutely forbade any pet living under his roof for decades, not out of hatred. If you see him now, you wouldn’t say he disliked pets. Sometimes people change their minds, don’t they? And now she became his pride and joy, a friend at the late stage of his life. Often he calls her “Her Majesty” because of her personality. When Her Majesty claims her throne, aka the brown couch, he places her tiny blanket on her and flops in the chair nearby. She doesn’t always operate the remote, only occasionally. When he’s away from the living room, he places the remote right under her paws. Other times she controls the operator; funny right? A cat choosing which channels or shows to watch. Oh, she has her favorites lined up as well. Just in the late hours, she prefers watching Animal Planet.

The brown couch and its recent occupier have their own story to tell. Old or new, every single item, living or non-living, has their story. Everything is old except Kelsey. The old house, the old TV, the old remote, the old brown couch and the old man. Only Her Majesty is refreshingly new. She changed the atmosphere, breathed in a new life. He was getting calls from nursing homes and assisted living situations; growing old, he was. Every day he’d be getting calls from real-estate agents to sell that broken down haunted house he lives in; yes, one guy called it haunted once over the phone. The old man had thought of getting rid of the tardy looking couch right before Kelsey had arrived, but she occupied it soon after she was brought there. Even the TV gets checked out by cable operators twice every month; Kelsey didn’t like any of the newest TVs in the showroom, so no changes were made. The old shambles still standing, that TV needs repairing but refuses to die permanently and so the remote, the old brown couch still an object of contentment to one, and so the old man is at peace to some extent.

It almost feels as if she’s the glue that binds the man with everything that comforts him; more or less her presence intensifies that sheltered feeling. All that was once decrepit, has now found a new spirit.

Her Majesty and her domain.


𝕰𝖓𝖉 𝕹𝖔𝖙𝖊𝖘

Do not forget to join our next weekly hangout on at Friday 10 pm GMT +6

H2
H3
H4
3 columns
2 columns
1 column
28 Comments